তুমি ডানা মেলো | Tumi Dana Melo | Chapter 03 | A tragic love story of a medical representative and a doctor by Tanmoy Roy | Cholo Golpo Suni
********************
PLEASE READ CHAPTER 01 & CHAPTER 02 FIRST
********************
Chapter 03 starts ...
সম্পর্কের এই জমাট বাঁধা বরফ আর মানসিক দূরত্বের মাঝেই সাগরের জীবনটা দিন দিন আরও বেশি ছন্নছাড়া হয়ে পড়ছিল। প্রথমত রিজেকশনের পর ভেতরের ছটফটানি, তার ওপর এই চৈত্র-বোশেখ মাসের চড়া রোদে বাইক ছুটিয়ে আগরতলার এ-মাথা থেকে ও-মাথা করা—সব মিলিয়ে ওর শরীরের ওপর দিয়ে মারাত্মক ধকল যাচ্ছিল। সকালের ব্রেকফাস্ট বাদ যাওয়া, দুপুরে অনিয়মিত লাইফস্টাইল আর রাতের পর রাত জেগে কোম্পানির সেলস রিপোর্টিং তৈরি করা—ওর শরীরটা যে ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ছে, ও নিজেই তা টের পাচ্ছিল না।
বেশ কিছুদিন ধরেই সাগরের একটা খটখটে শুকনো কাশি হচ্ছিল। ও ভেবেছিল ধুলোবালি আর রোদের জন্য সাধারণ অ্যালার্জি, তাই পকেট থেকে কাফ সিরাপ কিনে দু-চামচ খেয়ে পাত্তা দেয়নি। কিন্তু কাশিটা দিন দিন ওর বুকের পঁজরে গিয়ে আঘাত করছিল।
সেদিন সোমবার। AGMC-র ওপিডি বিল্ডিংয়ের তিন তলায় যথারীতি উপচে পড়া ভিড়। সাগর দেয়ালের একপাশে দাঁড়িয়ে ফাইলগুলো গোছাচ্ছিল। হঠাৎ ওর বুকের ভেতর থেকে একটা তীব্র, দমকা কাশির বেগ উঠে এল। ও কাশতে কাশতে কুঁকড়ে গেল। করিডোরের ধুলো আর ফিনাইলের গন্ধ যেন কাশির তীব্রতাটাকে আরও বাড়িয়ে দিল। সাগর তড়িঘড়ি ওর পকেট থেকে সাধের সেই ধবধবে সাদা রুমালটা বের করে মুখে চাপা দিল।
একটানা ৪-৫ বার এমন মারাত্মক কাশি হলো যে ওর মনে হলো ফুসফুসটা ছিঁড়ে বেরিয়ে আসবে। কাশিটা একটু থামতেই ও যখন মুখ থেকে রুমালটা সরাল, সাগরের চোখের মণি দুটো এক মুহূর্তে স্থির হয়ে গেল। ওর হাত দুটো কাঁপতে শুরু করল।
ওর সাধের সেই সাদা রুমালে লেপ্টে আছে তাজা, টকটকে লাল রক্তের দাগ!
সাগরের মাথার ভেতরটা এক সেকেন্ডে ফাঁকা হয়ে গেল। ও নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। ঠিক তখনই ১ নম্বর চেম্বারের দরজা ঠেলে করিডোরে পা রেখেছিলেন ডঃ দীপান্বিতা। ওনার হাতে যথারীতি ওপিডি ফাইলের তাড়া। সাগরের ওই অস্বাভাবিকভাবে কাঁপতে থাকা শরীর আর ওর হাতের রক্তভেজা রুমালটার দিকে নজর পড়তেই দীপান্বিতার পায়ের গতি থমকে গেল।
ওনার চোখের সেই বিগত কয়েক সপ্তাহের শীতল অভিমান, দূরত্ব, ইগো—সবকিছু এক লহমায় খড়কুটোর মতো ভেসে গেল। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার ওই অসহায় মুখ আর রক্তের দাগ দেখে ওনার ভেতরের ডাক্তার আর প্রেমিকা দুটো সত্তাই একসাথে চিৎকার করে উঠল।
"সাগর! কী হয়েছে আপনার?" দীপান্বিতা ওনার হাতের ফাইলগুলো একরকম ছুড়ে মারলেন পাশের ওপিডি টেবিলটায়। ওনার মায়াবী চোখ দুটোতে তখন এক তীব্র আতঙ্ক আর ব্যাকুলতা। ওনার গলা কাঁপছিল।
সাগর তড়িঘড়ি রুমালটা পকেটে লুকানোর চেষ্টা করে বলল, "কিছু না ম্যাম... জাস্ট সাধারণ কাশি... ওই একটু..."
"চুপ করুন একদম!" দীপান্বিতা প্রায় ধমক দিয়ে উঠলেন। ওনার কন্ঠস্বরে তখন এক অমোঘ অধিকারবোধ। ওনার চেনা গম্ভীর ডাক্তারী চালটা আজ এক অদ্ভুত জেদে বদলে গেছে। ওনার নিজের হাত দুটো তখন কাঁপছিল। ওনার চোখের দিকে তাকিয়ে সাগরের আর কোনো কথা বলার সাহস হলো না।
দীপান্বিতা সব অভিমান আর দূরত্ব এক পাশে সরিয়ে রেখে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সাগরের হাতটা ধরে হাসপাতাল বিল্ডিংয়ের ভেতরের স্পেশাল কেবিনের দিকে নিয়ে গেলেন। ওনার নিজের ডিপার্টমেন্টের কলিগদের বলে ওপিডির সমস্ত লাইন স্কিপ করিয়ে সাগরের এক্স-রে, রক্তের স্পেসিফিক কিছু মার্কার টেস্ট আর আর্জেন্ট একটা সিটি স্ক্যানের (CT Scan) ব্যবস্থা করলেন। পুরোটা সময় দীপান্বিতা নিজে সাগরের ল্যাব রিপোর্টের বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। ওনার বুকের ভেতর তখন একটা অজানা আশঙ্কায় দুলছিল।
বিকেল চারটে। হাসপাতালের অনকোলজি আর রেসপিরেটরি মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তাররা রিপোর্টগুলো নিয়ে কেবিনে বসেছিলেন। দীপান্বিতা কাঁপতে কাঁপতে সেই কেবিনের ভেতর ঢুকলেন। সাগরের স্ক্যান রিপোর্টের সেই ফিল্মটা লাইটবক্সের ওপর দেওয়া হতেই দীপান্বিতার পায়ের নিচের তলার আধুনিক হাসপাতালের শক্ত মেঝেটা যেন এক লহমায় ধুলো হয়ে গেল। ওনার চোখের সামনে চারদিকটা অন্ধকার হয়ে এল।
ফিল্মের ভেতর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সাগরের ফুসফুসের একটা বড় অংশ জুড়ে অন্ধকার কালো ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে। সিনিয়র ডক্টর ওনার দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত কিন্তু রূঢ় গলায় বললেন, "Advanced Stage Lung Cancer, Dipannita. কার্সিনোমাটা অলরেডি বেশ কিছুটা স্প্রেড করে গেছে। ইমিডিয়েটলি বায়োপসি আর কেমোথেরাপির প্রোটোকল শুরু করতে হবে।"
দীপান্বিতার হাত থেকে ওনার চেনা স্টেথোস্কোপটা আলগা হয়ে টেবিলের ওপর পড়ে গেল। ওনার সেই গভীর মায়াবী চোখ দুটো আজ প্রথমবার এক মরণব্যাধির নিষ্ঠুর রিপোর্টের সামনে চূড়ান্ত অসহায় হয়ে গেল। ওনার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে আসতে চাইল, কিন্তু ও নিজেকে সামলাল। ও জানে, করিডোরের বাইরে যে ছেলেটা ওর বাজপাখির ডানা মেলার স্বপ্ন দেখত, সে আজ এক মরণপণ লড়াইয়ের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। দীপান্বিতা নিজের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে চোখের জলটা ভেতরে চেপে নিলেন। ওনার মনে হলো, এই রিপোর্টের দেওয়ালটা ভাঙতে ও নিজের জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করবে।
********************
ডায়াগনসিসের পর প্রথম কয়েকটা সপ্তাহ যেন এক বিধ্বংসী ঝড়ের মতো কেটে গেল। দীপান্বিতা নিজের সবটুকু প্রফেশনাল ইনফ্লুয়েন্স খাটিয়ে আগরতলাতেই সাগরের কেমোথেরাপির প্রথম সাইকেলটা শুরু করিয়ে দিল। কিন্তু কেমোর ওই নীল বিষ যখন সাগরের শিরায় শিরায় ঢুকতে শুরু করল, ও বুঝতে পারল এই লড়াইটা কতটা যন্ত্রণাদায়ক। সাগরের ফর্সা চামড়াটা কেমন যেন ফ্যাকাসে হতে শুরু করল, খিদের চেনা অনুভূতিটা উধাও হয়ে গেল। আর সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা লাগল ওর শরীরে। কেমোর ধাক্কায় সাগরের শরীর দিন দিন আরও বেশি দুর্বল (Weak) হতে লাগল। যে ছেলেটা সারাদিন আগরতলার চড়া রোদে বাইক ছুটিয়ে বেড়াত, সে এখন বিছানা থেকে উঠতেই হাঁপিয়ে ওঠে।
প্রথম প্রথম কোম্পানি থেকে সাগরের এই কন্ডিশন দেখে ওকে ওয়ার্ক ফ্রম হোম (WFH) দেওয়া হয়েছিল। সাগর বিছানায় শুয়ে শুয়েই ল্যাপটপে মেল করত, ফোনেই কেমিস্ট আর ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করত। কিন্তু কর্পোরেট দুনিয়া বড্ড বেশি নির্মম, সেখানে আবেগের কোনো জায়গা নেই, সেখানে শুধু দরকার দিন শেষের 'সেলস টার্গেট'।
মাস খানেক পর, সাগরের এরিয়া সেলস ম্যানেজার (ASM) কলকাতা থেকে আগরতলায় এলেন রিভিউ মিটিংয়ের জন্য। সাগর কোনোমতে নিজের দুর্বল শরীরটাকে টেনে, একটা চেনা ফর্মাল শার্ট পরে ওনার সাথে দেখা করতে গেল। কিন্তু এএসএম-এর মুখে কোনো সহানুভূতি ছিল না।
এএসএম সাগরের রিপোর্টের ফাইলটার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে ঠান্ডা গলায় বললেন, "দেখো সাগর, তোমার কন্ডিশন নিয়ে আমার পার্সোনাল সিম্প্যাথি আছে। কিন্তু ওপর থেকে প্রেসার আসছে। ক্যানসার পেশেন্টকে দিয়ে তো আর ফিল্ডের কাজ হয় না। ডাক্তাররা কমপ্লেন করছে আমাদের কোম্পানির লোক ভিজিটে আসছে না। এভাবে চললে এই কোয়ার্টারের সেলস ড্রপ করবে। আমি আর কতদিন তোমাকে ব্যাক-আপ দেব? ওপর থেকে অলরেডি তোমার রিপ্লেসমেন্ট খোঁজা শুরু হয়েছে।"
সাগর স্তব্ধ হয়ে বসে রইল। যে কোম্পানিকে ও নিজের দিন-রাত এক করে বেস্ট এমআর-এর ট্রফি এনে দিয়েছিল, সেই কোম্পানি আজ ওর এই মরণব্যাধির দিনে ওনার দিক থেকে হাত তুলে নিচ্ছে। এএসএম-ও আর কোনো সাহায্য করতে পারে না, ও স্রেফ ওপরের অর্ডারের দোহাই দিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল।
সাগর আর কোনো তর্ক করল না। ও বুঝতে পারল, এই কর্পোরেট নির্মমতার সামনে ওর ওই বাজপাখির ডানা দুটো আজ বড্ড বেশি ছাঁটা পড়ে গেছে। ও অত্যন্ত শান্ত, কিন্তু এক চরম অসহায় অবস্থায় বাধ্য হয়ে পকেট থেকে একটা সাদা কাগজ বের করল। নিজের কাঁপতে থাকা হাত দিয়ে ও পেনটা ধরল। যে চাকরিটা ওর বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছিল, সেই চাকরি থেকে সাগর নিজের ইস্তফা (Resign) পত্রটা লিখে এএসএম-এর টেবিলের ওপর রেখে দিল।
"থ্যাঙ্ক ইউ স্যার। এতদিন পাশে থাকার জন্য।" সাগর আলতো করে হাসল—সেই প্রথম দিনের মতো শান্ত কিন্তু আজ সেই হাসিতে মিশে ছিল এক বুক-ফাটা কান্না আর তীব্র অসহায়তা।
********************
সাগরের চাকরি চলে যাওয়ার খবরটা যখন দীপান্বিতার কানে পৌঁছাল, ও তখন হাসপাতালের ডিউটি রোস্টার মেলাচ্ছিল। খবরটা শোনামাত্রই ওনার হাতের পেনটা হাত থেকে খসে পড়ল। ও খুব ভালো করেই জানত, সাগরের মতো একটা আত্মসম্মানি ছেলে চাকরি হারানোর পর কতটা একা আর নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই মরণব্যাধির বাজারে ট্রিটমেন্টের খরচ আর বেঁচে থাকার লড়াই—দুটোই ওর পক্ষে একাকী সামলানো অসম্ভব।
দীপান্বিতা আর এক মুহূর্তও দ্বিধা করেনি। সমাজ কী বলবে, হাসপাতালের কলিগরা আড়ালে কী হাসাহাসি করবে, ওনার পরিবার কীভাবে রিয়্যাক্ট করবে—সব কিছুকে এক লহমায় তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল ও। নিজের চেনা সরকারি কোয়ার্টারের আয়েশি জীবন ছেড়ে দীপান্বিতা তড়িঘড়ি আগরতলার কুঞ্জবনের একটা নিরিবিলি এলাকায় একটা ভাড়াবাড়ি (Rented Flat) ঠিক করল। তারপর একদিন সোজা সাগরের সেই রামনগরের ছোট্ট ডেরায় গিয়ে হাজির হলো।
সাগর তখন বিছানায় শুয়ে ছিল, কেমোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখটা শুকিয়ে আধখানা। দীপান্বিতা ঘরে ঢুকে কোনো নাটকীয়তা ছাড়াই সাগরের সুটকেসটা টেনে বের করল আর ওর জামাকাপড়গুলো গোছাতে শুরু করল।
সাগর অবাক হয়ে বিছানা থেকে উঠে বসার চেষ্টা করে বলল, "ম্যাম... ম্যাম এগুলো কী করছেন আপনি?"
দীপান্বিতা সাগরের দিকে ফিরল। ওনার মায়াবী চোখ দুটো আজ কোনো ডাক্তারের চোখ ছিল না, সেখানে ছিল এক অবাধ্য, জেদি প্রেমিকার তীব্র অধিকারবোধ। ও শান্ত কিন্তু অনড় গলায় বলল, "চুপচাপ উঠে বসো সাগর। আজ থেকে তুমি আর এই মেসে একা থাকবে না। আমি কুঞ্জবনে একটা ফ্ল্যাট নিয়েছি, আজ থেকেই তুমি আমার সাথে এক ছাদের নিচে থাকবে। তোমার সব দায়িত্ব আজ থেকে আমার।"
সাগর স্তব্ধ হয়ে গেল। ও নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। ও মাথা নেড়ে বলল, "ম্যাম, পাগল হয়েছেন? সমাজ এটা মেনে নেবে না! আপনার ক্যারিয়ার, আপনার রেপুটেশন সব নষ্ট হয়ে যাবে। আমি একটা লিভিং কর্পস ম্যাম, আমার কোনো ভবিষ্যৎ নেই। দয়া করে নিজের জীবনটা নষ্ট করবেন না।"
দীপান্বিতা সাগরের সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসল। ওর সেই ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে ওনার চোখের সমস্ত উষ্ণতা উজার করে দিল। "আমি কিচ্ছু জানি না সাগর। সমাজকে আমি ওপিডি-র বাইরে ফেলে এসেছি। আমি শুধু জানি, যে মানুষটাকে আমি ভালোবেসেছি, তাকে আমি চোখের সামনে এভাবে তিলে তিলে শেষ হতে দিতে পারব না। বাজপাখি একা ওড়ে ঠিকই, কিন্তু ডানা ভাঙলে তাকে একটু আশ্রয় দিতে হয়।"
দীপান্বিতার এই অভাবনীয় ত্যাগ, এই নিষ্পাপ আর নিঃশর্ত ভালোবাসা দেখে সাগরের ভেতরের এতদিনের চেনা মধ্যবিত্ত হীনমন্যতা, ইগো আর সামাজিক ভয়ের সব কটা কঠিন দেয়াল এক নিমেষে ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। ও বুঝতে পারল, এই মেয়ের প্রেম কতটা খাঁটি, কতটা স্বর্গীয়। এই প্রেমের সামনে কোনো সামাজিক নিয়মের বালাই চলে না।
সাগরের চোখ ফেটে জল গড়িয়ে পড়ল। ও আর নিজের মনকে আটকে রাখতে পারল না। অত্যন্ত দুর্বল হাত দুটো দিয়ে ও দীপান্বিতার হাতটা শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। মলের সেই রিজেকশনের দীর্ঘ দিন পর, অবশেষে সাগর দীপান্বিতার সেই চেনা প্রোপোজালটা পরম শান্তিতে আর গভীর ভালোবাসায় অ্যাকসেপ্ট করল। কুঞ্জবনের সেই নতুন ভাড়াবাড়ির বারান্দায় এসে যখন ওরা দুজনে দাঁড়াল, তখন বাইরের আগরতলার আকাশে এক পশলা বৃষ্টি শেষে এক চিলতে রোদ হাসছিল। সাগরের মনে হলো, এই মরণপণ লড়াইয়ে ও হয়তো একা নয়, ওর পাশে এখন এক আকাশ মেঘ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দীপান্বিতা।
Chapter 03 ends ...
********************
PLEASE CONTINUE READING CHAPTER 04 & CHAPTER 05
********************
📢 পাঠকদের উদ্দেশ্যে
গল্পটি পড়ে আপনার কেমন লাগল, তা অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আপনার মতামত, পরামর্শ এবং সমালোচনা আমাদের আরও ভালো গল্প উপহার দিতে অনুপ্রাণিত করে। গল্পটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাতে আরও বাংলা গল্পপ্রেমীরা এটি পড়ার সুযোগ পান। আপনার একটি শেয়ার এবং একটি মন্তব্য আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। ❤️
Tanmoy Roy
Bengali Author • Storyteller • Founder & Lead Author of CHOLO GOLPO SUNI
Tanmoy Roy is a Bengali author, storyteller, and founder of CHOLO GOLPO SUNI. He writes original Bengali fiction across mystery, thriller, horror, adventure and emotional drama. His stories focus on suspense, realism, emotion and memorable characters, creating immersive reading experiences for Bengali readers worldwide.
Mystery • Thriller • Horror • Adventure • Emotional Drama • Bengali Fiction
© Tanmoy Roy | CHOLO GOLPO SUNI | Bengali Mystery, Thriller, Horror & Original Fiction

Comments
Post a Comment